Friday, 15 September 2017

মুক্ত বাংলাঃ-কাজিপুরে আ.লীগের আনন্দ মিছিল ।

 

নদী রক্ষায় ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদনে আ.লীগের আনন্দ মিছিল -
সিরাজগঞ্জে কাজিপুরে নদীর রক্ষার কাজের জন্য পাঁচশত কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে কাজিপুর ইউনিয়ন থেকে গান্ধাইল হয়ে শুভগাছা ইউনিয়ন পর্যন্ত নদী রক্ষার কাজ করা হবে। এ খবর পাওয়ার পরে কাজিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আনন্দ মিছিল বের করা হয়।

মিছিলে অংশগ্রহণ করেন- কাজিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রাহমান, কাজিপুর পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক উজ্জল কুমার, যুবলীগের সহ সভাপতি হেলাল উদ্দিন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহিন রেজা সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেছসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ।



রিপটঃ-পারভেজ আহমেদ,

Thursday, 14 September 2017

মুক্ত বাংলাঃ-সোনামুখী স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা. ভোগান্তি চরমে




কাজীপুরে ঐতিহ্যবাহী সোনামুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও সোনামুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাঁটু পানি পেরিয়ে আসা-যাওয়া কষ্টের ফলে ইতোমধ্যেই অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে।
জানা গেছে, সোনামুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও সোনামুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্
যালয়টি সোনামুখী ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন স্থানে স্থাপিত হয়। শুরুতে এখানে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকায় কোন সমস্যা হয়নি। এরপর বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে উচুঁ পাকা রাস্তা নির্মিত হয়। রাস্তা সংলগ্ন ডোবাটিও ভরাট করা হয়। এরফলে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দেয়।
এবছর এই সমস্যা প্রকট আকার ধারন করেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয় মাঠে হাঁটু পানি জমে যায়। নিষ্কাশনের কোন পথ না পেয়ে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রী সাথী খাতুন, আসমা খাতুন, ছাত্র শাহীন আলম, শফিকুল ইসলাম জানায়, প্রতিদিন নোংরা পানি মাড়িয়ে স্কুলে আসতে খুব কষ্ট হয়।
কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শত্তকত হোসেন জানান, জলাবদ্ধতার কারণে অ্যসেম্বলি করা সম্ভব হচ্ছেনা। সোনামুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আলম জানান, জলাবদ্ধতার ফলে বর্ষা মৌসুমে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসতে চায়না। আমাদেরও চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। তাই বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কাজীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বকুল সরকার বলেন, জরুরী ভিত্তিতে জলাবদ্ধতার সমস্যার সমাধানের প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 



সূত্রঃ-  যমুনাবার্তা নিউজ

মুক্ত বাংলাঃ-কাজিপুরে চাঁদের আলো সমিতির নামে চলছে সুদের ব্যবসা




সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার হরিনাথপুর বাজারে চাঁদের আলো সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড (রেজিঃ নং ১৪৬, স্মারক নং ২৯১ (২), স্থাপিত ২০১২ ইং) নামের একটি বেসরকারি সমবায় সমিতি সরকারি লেডিস কর্নার ভাড়া নিয়ে চলাচ্ছে জমজমাট সুদের ব্যবসা। এই ব্যবসা এতো সুকৌশলে পারিচালিত হচ্ছে যা সাধারনভাবে বোঝার উপায় নেই। আর যারা ভুক্তভোগী তারা দরিদ্র লোকজন হওয়ায় দিনের পর দিন নির্বিবাদে চলছে এই ব্যবসা। কথিত ওই সমিতির সুদের বেড়াজালে পড়ে সাধারন মানুষ সর্বস্ব খোয়ালেও দেখার কেউ নেই।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০১২ সালে কাজিপুর উপজেলার হরিনাথপুর বাজারে এলজিইডি কর্তৃক তৈরীকৃত সরকারি মার্কেটের ২টি রুম কম মূল্যে ভাড়া নিয়ে পরি, জাকারিয়া, মজিদ সহ কয়েকজন প্রভাবশালী যুবক হরিনাথপুর বাজারে এই ব্যবসা করে আসছেন। সরকারী প্রদত্র নিয়মনুযায়ি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। কিন্ত অনুমোদন না থাকলেও গত ৫ বছর ধরে গ্রামের সাধারন গরীব মানুষের মাঝে শতকরা ২০ টাকা সুদে ঋণের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এভাবে বেশ ক’জন ব্যক্তি অবৈধ পন্থায় লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এদিকে চড়া সুদের বেড়াজালে পড়ে সাধারন মানুষ দিনের পর দিন নিঃস্ব হতে চলেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক চাষী ও ক্ষুদ্র কয়েকজন ব্যবসায়ী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, চাঁদের আলো সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি পরি, আব্দুল মজিদসহ প্রভাবশালী। কেউ তাদের কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে নেমে আসে শারীরিক নির্যাতন। সমাজে তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়। এমনকি তাদের সুদের বৃত্তে আটকে অনেকে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। তারা আরো জানান, কথিত সমিতি থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে অনেকে ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছেন। শুধু তাই নয় সরকারী কোন অনুমোদন না থাকলেও লেডিস কর্নারের নামে সরকারি অর্থ লুটপাট হচ্ছে।
এ ব্যাপারে চাঁদের আলো সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি পরি বলেন, সমিতির জায়গা না থাকায় লেডিস কর্নার ভাড়া নেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সদস্যদের বাইরে কাওকে ঋণ দেয়া হয়না। তবে সমিতির উন্নয়নে সদস্যদের মাঝে শতকরা ১০ টাকা সুদে ঋণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে বলে জানান। এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।





সূত্র;-যমুনা বার্তা নিঊজ

মুক্ত বাংলাঃ- কাজীপুর উপজেলায় খুদবান্দি, সিংড়াবাড়ি ও শুভগাছা এলাকা রক্ষায় ৪৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প।


জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫ হাজার ১৮১ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ বুধবার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারাদেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ৬৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদ করেছে সরকার। আর এর তদারকির দায়িত্বে থাকছেন সংসদ সদস্যরা। সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তারা ওই অর্থ নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী মসজিদ, ইদগাহ, কবরস্থান, মন্দির, শ্মশান, গীর্জা, প্যাগোডা, গুরুদুয়ারা এবং খেলার মাঠের উন্নয়নে তারা ব্যয় করতে পারবেন। সভার পরে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ।
মুস্তফা কামাল বলেন, সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে। এজন্য সাংসদরা সরাসরি বরাদ্দ পাবেন না। তবে তাদের পছন্দ অনুযায়ী কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, এ প্রকল্পে সিটি করপোরেশন এলাকা বাদে প্রত্যেক উপজেলার জন্য এক কোটি টাকা করে দেশের ৪৯১টি উপজেলার জন্য ৪৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া পূর্ত কাজের জন্য থোক বরাদ্দ হিসেবে ১০৯ কোটি টাকা রাখার কথা বলা হয়েছে প্রকল্প প্রস্তাবে। থোক বরাদ্দের অর্থ চাহিদা ও গুরুত্ব অনুযায়ী ব্যয় করা হবে। নির্বাচিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজ হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে।

একনেকের বৈঠকে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার আরও নয়টি প্রকল্প সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো- সিলেট বিভাগের ‘গুরুত্বপুর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে এক হাজার ২১৪ কোটি টাকার প্রকল্প। বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৯৮৬ কোটি টাকার প্রকল্প। চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার ৭২ নম্বর পোল্ডারে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় পুনর্বাসন প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৯৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশের ২৩টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনের জন্য ৯৯২ কোটি টাকার প্রকল্প।
নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিবাস নির্মাণে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প। আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল সড়কে ১০৩ দশমিক ৪৩ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বরাদ্দ হয়েছে ৬৫ কোটি টাকা। সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটর ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপনে ৩৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প।
#যমুনা নদীর ভাঙন থেকে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলায় খুদবান্দি, সিংড়াবাড়ি ও শুভগাছা এলাকা রক্ষায় ৪৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প।
গোপালগঞ্জে বহুতল সরকারি অফিস নির্মাণে ৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প।
প্রসঙ্গত আওয়ামী লীগের ২০০৯-২০১৪ মেয়াদে ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্পে যার যার এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে ১৫ কোটি টাকা করে বরাদ্দ পেয়েছিলেন সাংসদরা। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়িয়ে বিশ কোটি টাকা করে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়। ওই প্রকল্প এখন বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

মুক্ত বাংলাঃ-কথা রাখলেন মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।


টেলিফোন অপারেটর পদে চাকরি দিলেন সিদ্দিকুরকে।
============================================
রাজধানীর শাহবাগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময়ে টিয়ার শেলের আঘাতে চোখ হারানো শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমানকে চাকরির নিয়োগপত্র দেয়া হয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে টেলিফোন অপারেটর পদে সিদ্দকুর নিয়োগ পেয়েছেন। আগামী ১ অক্টোবর তিনি কর্মস্থলে যোগদান করবেন।
বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।
টিয়ারশেলের আঘাতে চোখ হারানোর কারণে সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমানকে সরকারি চাকরির আশ্বাস দিয়েছিলেন মোহাম্মদ নাসিম।
নিয়োগপত্র অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানকে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির টেলিফোন অপারেটর পদে এক বছরের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ সময় তার বেতন ধরা হয়েছে ১৩ হাজার টাকা। সঙ্গে আনুষাঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন তিনি। তবে এক বছর পর চাকরি স্থায়ী হলে তার বেতন হবে ২৩ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘এ ঘটনাটি অনেক কষ্টের ও বেদনাদায়ক। তবে সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে পারাটা স্বস্তিদায়ক। সিদ্দিকুরের প্রতি সরকারের নজর থাকবে।’
তিনি বলেন, চোখ রক্ষা করতে সিদ্দিকুরের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু সেটা সফল হয়নি। তবে তিনি এক চোখে ঝাপসা দেখতে পান। সে ক্ষেত্রে চাকরির পাশাপাশি তিনি পড়াশোনাও চালিয়ে যাবেন।

Wednesday, 13 September 2017

মুক্ত বাংলাঃ-আবারও যমুনার পানি বৃদ্ধি ,বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপরে!


চলতি বছরের আগস্টে বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারও যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলাবাসীর মধ্যে নতুন করে বন্যার আতঙ্ক বিরাজ করছে।উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারিবর্ষণে যমুনার নদীর পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


এদিকে পানি বাড়ার কারণে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর, চৌহালী, কাজিপুর, শাহজাদপুর, বেলকুচি, কাওয়াকোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে।এতে বন্যাকবলিত মানুষগুলো গবাদি পশু ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।আগের তুলনায় এবার ধীরগতিতে পানি বাড়ছে। পানি আরও ২-৩ দিন বাড়তে পারে। তবে আশঙ্কার কিছু নেই।


 

Tuesday, 12 September 2017

মুক্ত বাংলাঃ-কাজিপুরে তিন গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি যমুনা গর্ভে!



বন্যা আর ভাঙন একসঙ্গে চলছে কাজিপুরে। নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও এর বাইরের এলাকাগুলো ভাঙনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাচ্ছে।
 
গত ক’দিনের ভাঙনে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের বাইরে মাছুয়াকান্দি, উত্তর রেহাইশুড়িবেড় ও বিল সুন্দর সহ নাটুয়ারপাড়া নৌ-ঘাটের যাত্রীছাউনি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানপাট অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে।  ভাঙনের শিকার হচ্ছে উঠতি ফসলি জমি, সবজিক্ষেত, গাছের বাগান।
 
নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের সাবেক সদস্য বেলাল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ কমল জানান, ভাঙনের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল মান্নান চাঁন বলেন, বন্যার সময় এই ভাঙনের শিকার চরটিতে প্রায় যুগ আগে থেকে মানুষজন তাদের বসতি গড়ে তোলে। এখনকার ভাঙনের ফলে তারা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে।

এখানেই শেষ নয়, ভাঙনকবলিত কাজিপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টি ইউনিয়ন যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা চরাঞ্চল। বাকি ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে মাইজবাড়ি, কাজিপুর সদর ও শুভগাছা, গান্ধাইল  ইউনিয়নের অংশবিশেষ যমুনার ভাঙনের শিকার।

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে কাজিপুরের ইজিবাইক চালক

                                       সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার অনিক বাবু (২০) নামের এক ইজিবাইক চালককে অজ্ঞান করে মোবাইল ফোন ও বাইক...