Monday, 17 July 2017

মুক্ত বাংলাঃ-কেউ বিষ খেলে কি করবেন?

জানা থাকলে বেঁচে যাবে হয়তো একটি জীবন

প্রায়ই বিষপানের রোগী পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে উলেখযোগ্য: কীটনাশক পান করা, অনেক পরিমাণে ঘুমের ঔষধ খাওয়া, কেরোসিন পান করা, ধুতরার বীজ খাদ্যের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া, কোনো ঔষধ ভুলক্রমে বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলা, বিষাক্ত মদ্যপান বা অতিরিক্ত মদপান ইত্যাদি৷ বিষপানের রোগী আসা মাত্র বিষপানের ধরন সম্পর্কে আন্দাজ করা সম্ভব৷ সাধারণভাবে বিষপানের পর দেরী না করে নিম্নরূপ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং হাসপাতলে পাঠাতে হবে ।
রোগী শ্বাস নিতে না পারলে তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিতে হবে
সজ্ঞান রোগীকে সর্বপ্রথম একগ্লাস পানি বা দুধ পান করানো ভালো কারণ এতে বিষ পাতলা হয়ে যায় ও বিষের ক্ষতির প্রভাব কমে আসে৷ শিশুদের ক্ষেত্রে আধা গ্লাসের মতো পানি বা দুধ রোগীকে পান করানো ভালো৷ অজ্ঞান রোগীকে তরল দেয়া যাবে না৷ তাকে সুবিধাজনক স্থানে শুইয়ে দিতে হবে।

রোগীকে বমি করানো উচিত কিনা তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ কারণ সকল বিষপানের পর বমি করানো যাবে না৷ রোগীর শরীরে খিঁচুনি থাকলে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় রোগীকে বমি করানো যাবে না৷ কিছু বিষ যা প্রবেশের সময় মুখ, মুখগহ্বর ও অন্ননালীতে প্রদাহের বা দগ্ধতার সৃষ্টি করে অথবা ফুসফুসে প্রবেশ করে সংক্রমণের সৃষ্টি করে এরূপ বিষপানের রোগীকে কোনক্রমেই বমি করানো উচিত নয়৷ কারণ বমি করার সময় উল্লেখিত পদার্থগুলো পুনরায় ক্ষতিসাধন করে ক্ষতের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
পোড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকারী বিষ :

অম্ল বা এসিড
ক্ষার বা এলকালি
গৃহে ব্যবহৃত বিশোধক
গোসলখানা পায়খানা নর্দমা পরিষ্কারকারক বিশোধক
প্রদাহ সৃষ্টিকারী বিষ :

কেরোসিন
তারপিন তেল
রঙ এবং রঙ পাতলাকারক দ্রব্য
পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়াম জাতীয় দ্রব্য
রোগী কোন ধরনের বিষ পান করেছে তা রোগীর মুখ, মুখগহ্বর ও শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করলে অতি সহজেই অনুমান করা যায়
পোড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকারী বিষপানে রোগীর মুখ ও মুখগহ্বরে পোড়া ক্ষত বা ফোসকা দেখা যাবে
কেরোসিন জাতীয় বিষপানে রোগীদের শ্বাসে উক্ত দ্রব্যের গন্ধ পাওয়া যাবে
৪ ঘণ্টার ভেতর বিষ খেয়ে থাকলে এবং জ্ঞান থাকলে রোগীকে নিম্নলিখিতভাবে বমি করানো যেতে পারে :

মুখের মধ্যে আঙুল প্রবেশ করিয়ে বমি করানো যায়
খারাপ স্বাদযুক্ত ডিমের সাদা অংশ ও কুসুম স্বল্প গরম দুধসহ বা স্বল্প গরম লোনা পানি পান করালে অনেকেরই সহজে বমি হয়ে যায়৷ তিতা কোন দ্রব্য মুখের মধ্যে দিয়েও বমি করানো যেতে পারে
বমি করানোর সময় বিশেষভাবে নজর দিতে হবে যেন বমিকৃত কোনো জিনিস বা পানীয় ফুসফুসে প্রবেশ না করে৷ এজন্য বমি করানোর সময় রোগীর মাথা নিচের দিকে ও মুখ পাশে কাত করিয়ে রাখতে হবে৷ হাসপাতালে রোগীকে বিষ অপসারণের ক্ষেত্রে রাইলস টিউবের (একটি বিশেষ নল) সাহায্যে করা যেতে পারে৷
বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর ঔষধ প্রয়োগ : কিছু বিষকে নিষ্ক্রিয় করার ঔষধ রয়েছে৷ রোগী কোন বিষ দ্বারা আক্রান্ত তা জানতে পারলে সেই বিষকে নিষ্ক্রিয় করা ঔষধ প্রয়োগ করে রোগীর অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব৷ এক্ষেত্রে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে৷

কেরোসিনের বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে: সাধারণত বাচ্চারা না বুঝে কেরোসিন তেল খেয়ে ফেলে৷ এ ধরনের রোগীর বমি, মুখ, শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রস্রাব ও কাপড় চোপড় থেকে কেরোসিনের গন্ধ পাওয়া যাবে৷ গলায় জ্বালাপোড়া ও ব্যথা থাকবে৷ পাতলা পায়খানা ও পেটে ব্যথা থাকবে৷ শ্বাস-প্রশ্বাস ঘন ঘন হবে৷ বুকের মধ্যে ঘড়ঘড় শব্দ হতে পারে, জ্বর থাকতে পারে৷ নাড়ি দুর্বল ও অনিয়মিত হতে পারে৷
এ ধরনের রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে হবে৷ এই রোগীর স্টোম্যাক ওয়াশ দেয়া বা বমি করানো যাবে না । এ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে যাতে নিউমোনিয়া বা ফুসফুসে অন্য কোনো সংক্রমণ না হতে পারে ।
এসিড কিংবা ক্ষারের বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে :
রোগীকে বমি করানোর চেষ্টা করা যাবে না
ক্ষতের ওপর প্রলেপ সৃষ্টি করে এমন খাদ্যবস্তু যেমনঃ দুধ, ডিমের সাদা অংশ খাওয়ানো যেতে পারে
মুখ বা শরীরের কোনো অংশে এসিড অথবা ক্ষার পড়লে সেখানে প্রচুর পানি ঢেলে ধুয়ে ফেলতে হবে । এসিড খেলে এন্টাসিড সাসপেনশন দেয়া যেতে পারে
যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে

ঘুমের ঔষধ বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে বমি করানোর চেষ্টা করতে হবে
ঠিকমতো বমি করানো না গেলে স্টোমাক ওয়াশ করানোর জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠাতে হবে
প্রতিরোধের উপায় : আমাদের দেশের ক্ষেত-খামারে পোকা মারার জন্য অনেক ধরনের বিষ ব্যবহার করা হয়ে থাকে৷ এ ছাড়া কেরোসিন, ঘুমের ওষুধ ইত্যাদি দিয়ে বিষক্রিয়া ঘটতে পারে৷ দুর্ঘটনাক্রমে ঘটে যাওয়া বেশিরভাগ বিষক্রিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব৷

বিষক্রিয়া চিকিত্সার চেয়ে এর প্রতিরোধ নিরাপদ এবং সহজ৷ নিজের ঘরবাড়ি, কর্মস্থলকে নিরাপদ রাখার জন্য কৃষক, কলকারখানায় ও মাঠে-খামারে নিয়োজিত কর্মী, শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী, বাবা-মাসহ ছাত্র-ছাত্রী কিংবা ছেলেমেয়ে সবার ভূমিকা রয়েছে ।
যে কোনো ধরনের কেমিক্যাল বা রাসায়নিক সামগ্রী নিরাপদভাবে ব্যবহার ও নাড়াচাড়া করুন
রাসায়নিক সামগ্রী নিরাপদে রাখুন৷ ব্যবহার করে তা সরিয়ে নিরাপদে রেখে দিন৷ শিশুর নাগালের বাইরে কীটনাশক, ওষুধ ও পরিষ্কারকরণ সামগ্রী (ডেটল, স্যভলন ইত্যাদি) রাখুন
আপনার প্রয়োজন নেই এমন কোনো রাসায়নিক পদার্থ ঘরে রাখবেন না
খাবার জিনিসের কোনো পাত্রে রাসায়নিক সামগ্রী রাখবেন না৷ ভুলবশত কেউ খাবার কিংবা পানীয় মনে করে খেতে বা পান করতে পারে

যথাযথ পরিমাণ ও যথাযথভাবে কীটনাশক, ওষুধ ও পরিষ্কারকরণ সামগ্রী ব্যবহার করুন৷ গায়ে আঁটা লেবেল পড়ে নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করুন৷ পড়তে না পারলে অন্য কারো সাহায্য নিন । লেবেলহীন পাত্র থেকে রাসায়নিক সামগ্রী ব্যবহার করা বিপজ্জনক। প্রয়োজনে দোকান থেকে লেবেলসহ সামগ্রী বদলিয়ে নিন
ঔষুধ সেবন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রেজিষ্টার চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

Sunday, 16 July 2017

মুক্ত বাংলাঃ-কাজিপুরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত


যমুনাবার্তার সৌজন্যে বিস্তারিতঃ-  শিক্ষা কমিটি এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বিকারের কারণে ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।
অনুরোধ জানানো যাচ্ছে সুপ্রিয় পাঠকদের উদ্দেশ্যে এ বিষয়ে জনমত গড়ে তুলে র্কৃপক্ষের নজরে নিয়ে আসতে
কাজীপুরের প্রজারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কচিকাচা শিক্ষার্থীরা বর্ষার ৩টি মাস জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুৃলে যাতায়াত করে থাকে। বেশ কয়েকবছর ধরে এই অবস্থা চললেও কৃর্তপক্ষ এখনও কোন উদ্যোগ নেয়নি।

গতকাল সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কাজীপুর সদর ইউনিয়নের প্রজারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৭ সালে যমুনার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। তখন একই ইউনিয়নের সিংড়াবাড়িতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধের প্রায় ১৫০ মিটার পশ্চিমে বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করা হয়।
পরের বছর তিনকক্ষ বিশিষ্ট একতলা পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। তখন থেকে ওই স্থানে বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালিত হয়ে আসছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রহিমা পারভীন জানান, বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষিকা ও ১০২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতিবছর পিএসসিতে ভালো ফলাফল সহ সকল পরীক্ষায় মেধা তালিকায় শিক্ষার্থীরা স্থান করে নিচ্ছে। অথচ বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের প্রায় দুইযুগ অতিক্রান্ত হলেও মাত্র ১৫০ মিটার কাঁচা রাস্তায় মাটি ফেলার অভাবে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুই পাশে গভীর গর্তের মাঝখানের পায়ে চলা সরু রাস্তা দিয়ে কচিকাচা ছেলে-মেয়েদের যাতায়াত করতে হয়। ভয় হয় যদি পা ফসকে গর্তে পড়ে যায়।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ফজলুল করিম জানান, প্রধান শিক্ষকা আলহাজ্ব রহিমা পারভীন একজন ধর্মপ্রাণ ও বিদ্যানুরাগী মানুষ। প্রতিষ্ঠানটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে তিনি সরকারকে লিখে দেন। ফলে বিদ্যালয়টিতে পাকা ভবন হয়েছে। যাতায়াতের কষ্টের কথা স্বীকার করে তিনি জানান, রাস্তা করার মতো সরকারি জায়গা রয়েছে ।
বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে সংশ্লিষ্ট কর্র্র্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার দাবী জানান। সেইথে স্থানীয় জনগণের সহযেগিতা কামনা করেন।




পেজ লিংকঃ- https://www.facebook.com/muktobangla.kazipur/

Thursday, 13 July 2017

মুক্ত বাংলাঃ- কাজিপুরে যমুনা নদীগর্ভে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,বন্যায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত।

 সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কাজিপুর পয়েন্টে যমুনা বিপদসীমার ৬০ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নতুন নতুন গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় উপজেলার ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষি সূত্রে জানা গেছে, ২ হাজার একশ হেক্টর পাট খেত বন্যায় তুলিয়ে গেছে।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের হঠকারিতায় নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের ফুলজোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাকা ভবনটি গতকাল যমুনায় বিলিন হয়ে গেছে। উপজেলার বগার মোড় এলাকায় ওয়াপদা বাধ চরম হুমকীর মুখে রয়েছে। স্থাণীয়রা জানিয়েছে, এই স্থানটি প্রচন্ড ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। এদিকে উপজেলা প্রশাসন বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ তৎপরতা শুরু করেছে।

মুক্ত বাংলাঃ-কাজিপুর সদর ইউনিয়নের ৩নং স্পারের ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়।

সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার কাজিপুর সদর ইউনিয়নে ৩ স্পার ধ্বসে/বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেন সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় সাহেব । এ সময় ইউএনও জনাব মো: শফিকুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান  জনাব মো: মোজাম্মেল হক সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক জনাব খলিলুর রহমান সিরাজী সহ নেতৃবৃন্দ, পিআইও জনাব মো: শাহ আলম মোল্লা, উপ সহকারী প্রকৌশলী এস্এম অাবু মেতালেব, ইউপি চেয়ারম্যান জনাব,টি এম আতিকুর রহমান নান্নু মাষ্টার সহ ইউপি সদস্যগণ  উপস্থিত ছিলেন ।। গত ১১ জুলাই রাতে স্পারটির ২০০মি: অংশ নদীতে ধ্বসে পড়ে। ১০টি পরিবার গৃহহীন হয়। গৃহহীনদের মাঝে ১০ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়। ইউএনও জনাব মো: শফিকুল ইসলাম ১১ জুলাই তারিখে ধ্বসে যাওয়া স্পার ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। ৩০০জনের অনুকূলে  ১০কেজি করে চাল সহায়তা প্রদান করা হয়।

মুক্ত বাংলাঃ-কাজিপুর উপজেলায় ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ এর কার্যক্রম শুরু গঠন হয়েছে কমিটি।




 
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচিত হলেন-
*একেএম ফজলুল হক মনোয়ার (সভাপতি)
 *
সাইফুল ইসলাম পলাশী
(সহসভাপতি) 

*আলমাহমুদ সরকার জুয়েল
(সাধারণ সম্পাদক)
 *
টি এম কামাল
(সাংগঠনিক সম্পাদক)
*
শফিকুল ইসলাম
(প্রচার সম্পাদক)
  *
মিজানুর রহমান
(দপ্তর সম্পাদক)
 *
আব্দুর রাজ্জাক
(অর্থ সম্পাদক)

 
 
এর আগে গতকাল বুধবার উপজেলার সোনামুখী অনুশীলন একাডেমির হলরুমে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফজলুল হক মনোয়ার। সভায় সংগঠনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য বিষয়ে মূল আলোচক ছিলেন সমাজসেবক সাইফুল ইসলাম পলাশী।
এরপর কাজীপুরের উন্নয়নে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে আলোচ
নায় অংশ নেন সংগঠনের সদস্য কৌমুদ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কবি শাহ আলম, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, কৃষিবিদ আব্দুর রাজ্জাক, প্রভাষক ও সাংবাদিক আবদুল জলিল, কাজীপুরের ইতিহাস বইয়ের লেখক আল মাহমুদ সরকার জুয়েল , শফিক শাওন, আব্দুল লতিফ মির্জা, মুক্ত বাংলার সম্পাদক প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন,সাংবাদিক টিএম কামাল,এনজিওর জহুরুল ইসলাম প্রমূখ।



"মুক্ত বাংলার পক্ষ থেকে কমিটির সম্মানিত সকল সদস্যকে অভিনন্দন" 

Saturday, 8 July 2017

মুক্ত বাংলাঃ-কাজিপুরে যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

 সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলে যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে ভাঙন শুরু হয়েছে দুর্গম চরাঞ্চলের মনসুরনগর, চরগিরিশ, খাসরাজবাড়ী, মাইজবাড়ী, তেকানী, নাটুয়ারপাড়া ও নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম।

স্রোতের তোড়ে মাইজবাড়ী, খাসরাজবাড়ী, মনসুরনগর, চরগিরিশ, নিশ্চিন্তপুর, নাটুয়ারপাড়া, তেকানী ইউনিয়নর বিভিন্ন এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে ফুলজোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাড়িঘর, দোকানপাট, মসজিদ, আবাদি জমি ও নিশ্চিন্তপুর ও চরগিরিশ ইউনিয়ন রাস্তা। ভাঙনকবলীত এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চলে এলেও তা রোধের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে ভিটোমাটি হারিয়েছেন অনেকেই। আতস্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন এই জনপদের নিঃস্ব মানুষেরা।

এদের মধ্যে কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছেন পাশ্বের বাঁধ ও উঁচু জায়গায়। ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ভাঙনে ভিটেমাটি ও আবাদি জমিহারা মালিক আমজাদ হোসেন জানান, ভাঙনের চিন্তায় রাতে ঘুমাতে পারি না। ওই এলাকায় শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও জমি গত কয়েক দিনে নদীতে বিলীন হয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়।

কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি থাকায় স্রোত বেড়েছে। এ কারণে এলাকাজুড়ে বেড়েছে ভাঙনের তীব্রতা।

মুক্ত বাংলাঃ-কাজীপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি।

 
 কাজীপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সিরাজগঞ্জ পাউবোর্সত্রে জানা গেছে গতকল পর্যন্ত যমুনা কাজীপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। সেইসাথে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। বন্যায় ঐতিহ্যবাহী ঢেকুরিয়া হাট তলিয়ে গেছে। 

বিলচতল, ঢেকুরিয়া, শ্রীপুর, সুতানারা, মল্লিকপাড়া, বদুয়ারপাড়া, দাদবোরা, খিরাইকান্দি, খাসরাজবাড়ি, ভেটুয়া, বাশজান, ভাঙ্গারছেও গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।  নাটুয়ারপাড়া চরের পূর্বপাশের বাড়িঘর ভাঙনের কবলে পড়েছে। লোকজন তাদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। খাসরাজবাড়ি, জজিরা, মল্লিকপাড়া, মাজনাবাড়ি চরের মানুষ ভাঙনের শিকার হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এদিকে প্রায় ৮০ লাখ টাকা খরচ করে সাধারন জনগণের নির্মাণ করা মনসুর নগর ইউনিয়নের মাজনাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। 
১ হাজার ৯শ ফুট দৈর্ঘ্যের এই বাধটি ভাঙলে প্রায় দেড় হাজার বসতবাড়ি মুহূর্তে বিলীন হয়ে যাবে বলে জানান ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক রাজমহর। 
মাজনাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন জানান, এই বাধের ফলে স্কুলসহ অনেক স্থাপনা বন্যা-ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে। ফলে বাধটি নির্মাণে সরকারি সহায়তা জরুরি। এছাড়া বন্যায় চরাঞ্চলের নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় ধস নেমেছে। 

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খোশ মাহমুদ জানান, গতকাল থেকে এ পর্যন্ত রাস্তার অর্ধেকটা ধসে গেছে। ধস না রোধ করলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে পারবে না। ফলে তাদের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা দেয়া কঠিন হয়ে যাবে। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে।



রিপট করেছেনঃ-আবদুল জলিল

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে কাজিপুরের ইজিবাইক চালক

                                       সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার অনিক বাবু (২০) নামের এক ইজিবাইক চালককে অজ্ঞান করে মোবাইল ফোন ও বাইক...