Thursday, 13 April 2017

মেঘাই ই ইউ আই পাইলট উচ্চ বিদ্যালইয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা-১৪২৪

আয়োজনেঃ মেঘাই ই ইউ আই পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়,কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

শুভ নববর্ষ ১৪২৪ ।

শুভ নববর্ষ ১৪২৪ ।
মুক্ত বাংলার সকল পাঠক, শুভানুধ্যায়ী, কলা-কুশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সহ কাজিপুরের সকল জনগন এবং সারাদেশের সকল বাংলা ভাষা-ভাষীকে জানাচ্ছি নববর্ষের শুভেচ্ছা। আপনার প্রিয়জনদের সাথে বছরের প্রথম এবং প্রতিটি দিন হোক আনন্দময়।

"মুক্ত বাংলা"
জানতে চাই,জানাতে চাই

কাজিপুরের একটি আঞ্চলিক ফেসবুক পেইজ।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কাজিপুরের উপজেলা চত্তরে সাপের খেলা দেখানো হয়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কাজিপুরের উপজেলা চত্তরে সাপের খেলা দেখানো হয়।

কাজিপুরে মঙ্গল শোভাযাত্রা-১৪২৪

আয়োজনেঃউপজেলা প্রশাসন,কাজিপুর,সিরাজগঞ্জ ।

Tuesday, 4 April 2017

সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরে বিনাবেতনে শিক্ষা প্রদান করে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল।


 মুক্ত বাংলা বিস্তারিতঃ-শুধু মাত্র এতিম ছেলে-মেয়েরা বিনা বেতনে শিক্ষা গ্রহন করতে পারবে এই ভিন্ন ধর্মি কিন্ডারগার্টেনে।
মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ সাহেবের এই কিন্ডারগার্টেনের নাম "গ্রিন,স মর্নিং গ্লোরি একাডেমীর",বাঐখোলা,কাজিপুর,সিরাজগঞ্জ।
যে প্রতিষ্ঠানটির মাসিক আয় মাত্র (১৭০০০) সতের হাজার টাকা এবং শুধু মাত্র শিক্ষক বেতন বাবদ প্রতিমাসে ব্যায় (২৫০০০)পঁচিশ হাজার টাকা।

১৩০ থেকে ১৪০ জনের মত ছাত্র ছাত্রী লেখাপড়া করে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।যার বেশিররভাগ শিক্ষার্থী এতিম ও গরীব। বেশীর ভাগ ছাত্র ছাত্রী বিনাবেতনে,অর্ধেক বেতনে আবার কোন কোন অভিভাবক যতটুকু বেতন প্রদান করেন তাতেই খুশি থাকেন মোঃ শরিফুল ইসলাম। গরীব ও এতিম শিশুরাও যেন কেজি স্কুলে পড়তে পারে সেই চিন্তা মাথায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছেন মোঃ শরিফুল ইসলাম।
এই স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রীকে একটি আদর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার সকল চেষ্টা করছেন তিনি।
তিনি মুক্ত বাংলা কে বলেন,
"১০ টাকা চুরি বা কুরিয়ে পাওয়ার চেয়ে ১ টাকা উপার্জন করে পাওয়া অধিক মূল্যবান"

আশুন আমরা তার এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করিঃ-
পরিচালকের কিছু কথাঃ-
আমি মো:শরিফুল ইসলাম সবুজ। ((বাংলাদেশ সেনাবাহিনী)(প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং সহ সভাপতি) গ্রিন,স মর্নিং একাডেমি)
"শিক্ষার সর্বোচ্চ মান অর্জনই আমাদের লক্ষ্য"
প্রতিষ্ঠানের মূললক্ষ্যঃ-
উত্তরবঙ্গের বিশেষত সিরাজগ্জের কাজিপুর থানাধিন ছাত্র-ছাত্রীদের মান সমপন্ন শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়েই এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করেছি. সুপ্ত প্রতিভাকে খুঁজে বের করে তাদেরকে উপযোগী পরিবেশে পরিচর্যার মাধ্যমে ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই হচ্ছে এর মূল লক্ষ্য। সে কারণে কেবল মাত্র বুদ্ধিবৃত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিশুর ব্যক্তিত্বের সুষম বিকাশের চেষ্টা করা হয়। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, কঠোর শৃংখলা ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং একজন সুশৃংখল নাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে। সেই লক্ষ্যে মেধার ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি করা হচ্ছে।

#আমি মনস্থ করেছি যে এতিম ছাত্র ছাত্রিদের বিনা বেতনে শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবো যা ইতিমধ্যেই বাস্তবায়ন করেছি.
"এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পাঁচটি মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত "
১। যথোপযুক্ত পরিবেশে জাতীয় শিক্ষা বোর্ড প্রণীত সিলেবাস অনুযায়ী সকল স্তরের শিক্ষাদান।
২। ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চিন্তা-চেতনা, পরামর্শ ও মতবিনিময়ের অবাধ যোগাযোগ গড়ে তোলা।
৩। নির্ধারিত পাঠ্যক্রম ছাড়াও সহপাঠ্যক্রমিক যেমন: সাহিত্য, সংস্কৃতি ও খেলাধুলা কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুষম বিকাশে সাহায্য করা।
৪। শিক্ষার্থীরা যেন যোগ্য নাগরিক হিসেবে ভবিষ্যতে সকল ক্ষেত্রে মূল্যবান অবদান রাখতে পারে এবং জাতিকে গতিশীল নেতৃত্ব দান করতে পারে সে জন্য যুগোপযোগী সকল পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫। নৈতিক, সামাজিক, শারীরিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে শিক্ষার্থীর জন্য সুষম সুযোগ সৃষ্টি করা।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মো:শরিফুল ইসলাম সবুজ. প্রশাসনিক ক্ষমতার পরিধির মধ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত করবো। আরো আকর্ষন যে এমন দুইজন মানুষ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং উদ্দোক্তা সদস্য মনোনীত। যাদের অবদানে কাজিপুরের উন্নত শিক্ষায় অসাভাবিক ভুমিকা রাখছে.
★★ আমি পরিচালক হিসাবে নিজেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার জন্য একটি স্থায়ী নীতিমালা বাস্তবায়ন করবো। আমি আশা করি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোছাঃ ছাবিনা ইয়াসমিন.(এমএ)।প্রাত্যহিক শিক্ষা কর্মকান্ড ও অন্যান্য বিষয়াবলি তদারকি করবেন।
মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, রাজশাহী এর নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদ গঠিত করেছি৷
#পরিচালনা_কমিটির_নামিয়_তালিকাঃ-
১।মো:আশরাফুল আলম. ইউপি চেয়ারম্যান গান্ধাইল, কাজিপুর. (সভাপতি)
২।মো:শরিফুল ইসলাম সবুজ.বাংলাদেশ সেনাবাহিনী .(প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং সহ সভাপতি.)
৩।মো:সাইদুল ইসলাম. কাজিপুর থানা আওয়ামি লীগ সেক্রেটারি.( প্রাধান উদ্দোক্তা সদস্য )
৪।মো: আ:সামাদ মাষ্টার. (সদস্য )
৫।মো:শাহ আলম মাষ্টার (সদস্য )
৬।মো: মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মাষ্টার (সদস্য )
৭।মো:ওসমান গনি(অভিবাবক সদস্য )
৮।মো: বেল্লাল হোসেন (অভিবাবক সদস্য )
৯।মো:আ: সাত্তার সরকার (জমিদাতা সদস্য )
১০।শ্রী বিধান দাস (শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য )
১১।মোছা: শিল্পী খাতুন (শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য )
১২।মোছা:ছাবিনা ইয়াসমিন (উপ সচিব )

#ভর্তি_পদ্ধতিঃ
১।নার্সারিঃ
প্রতিবছর সাড়ে চার বছর থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশু শিক্ষার্থী নার্সারিতে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়।
২।১ম থেকে ৫ম শ্রেণীঃ
শিক্ষার মুলনিতিকে স্মরন করে ভর্তি করা হবে.

বেতন ও পরিবহণ ভাড়া পরিশোধ নীতিমালাঃ-
★বকেয়া পাওনা/মাসিক বেতন/পরিবহন ভাড়া চলতি মাসের ১ হতে ১০ তারিখ পর্যনত্ম নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি, প্রতি মাসে বেতন বই পূরণ করে ফরম শিক্ষক/শিক্ষিকার মাধ্যমে হিসাব সহকারীর কাছে জমা করার ব্যাবস্তা করবো৷

পোশাক পরিচ্ছদঃ-
ছাত্র-ছাত্রীরা অবশ্যই প্রতিষ্ঠান নির্দেশিত ও নির্ধারিত পোশাক সুচারুভাবে পরিধান করবে। গ্রীষ্মকালিন এবং শিতকালিন পোশাক পরিধানের সময়সূচি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাসময়ে জানানো হবে।
ভর্তি চলিতেছে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত.


পরিচালকের সাথে যোগাযোগঃ-
মো:শরিফুল ইসলাম সবুজ।
মোবাইলঃ-01771104179
মেইলঃ-sharif1228cdo@gmail.com.

"মুক্ত বাংলা"
কাজিপুরের অজানা আরো তথ্য জানতে লাইক দিন মুক্ত বাংলা ফেসবুক পেজে।
আপনার চারপাশের ঘটে যাওয়া তথ্য,ছবি আমাদের কে মেসেজ করুন।প্রচার যোগ্য হলে আমরা প্রচার করব।

"মুক্ত বাংলা"
জানতে চাই,জানাতে চাই

Monday, 3 April 2017

এতিম ফাউন্ডেশনের নতুন খাতা এবং ইসমাইল সাহেবের কিছু কথা

বাংলাদেশ প্রাইমরী এন্ড হাইস্কুল এতিম ফাউন্ডেশনের নতুন খাতা তৈরি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক গার্মেন্টস শ্রমিক মোঃ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
********************************************
ইসমাইল সাহেবের কিছু কথাঃ
এখন থেকে নতুন মোড়কে ১দিস্তা কাগজের লেখার খাতা ও একটি কলম প্রতি মাসে পাবে তালিকা ভুক্ত এতিম ছাত্র-ছাত্রী।

কাজিপুর উপজেলার উল্লাপাড়া গ্রামের মৃত জিন্নাত আলীল পুত্র গার্মেন্টস শ্রমিক মোঃ ইসমাইল হোসেন সিরাজি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজিপুর উপজেলার ৪২টি প্রাথমিক ও হাইস্কুলের ৪৬০জন দরিদ্র এতিম ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে কয়েক বছর যাবত।
বাংলাদেশ প্রাইমারি এন্ড হাইস্কুল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ইসমাইল হোসেন সিরাজী মুক্ত বাংলা কে জানান আমি টাকা পয়সার অভাবে লেখা পড়া করতে পারিনি।
একদিন এক দিস্তা কাগজের অভাবে স্কুলে পড়া লিখে দিতে পারিনি একটি কলম কতটা হিসাব করে লিখেছি তা শুধু আমি জানি।ছোট বেলাতেই বাবা কে হাড়িয়েছি।

বাবা ছাড়া জীবন টা যে কত কষ্ঠের তা আমি জানি।ইচ্ছে থাকা সত্যেও লেখা পড়া করতে পারিনি।আমি তো খুব ভালো ছাত্র ছিলাম না তবে আমার পার্শ্ববর্তি এক দরিদ্র মেধাবি ছাত্রের কাগজ কলমের অভাবে লেখা পড়া করতে পারেনি।
সেই থেকে আমার মধ্যে একটা উপলব্ধী কাজ করছে যে যদি আমার সুযোগ হয় তাহলে আমি দরিদ্র এতিম ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য কিছু কাজ করে যাব। লেখা পড়া যতটুকু শিখেছি এর পর কয়েক বছর যাবৎ আমি শিল্পপতি মোশারফ সাহেবের ষ্ট্যান্ডার্ড গার্মেন্টস এ ওয়াশিং ষ্টোর সাপ্লাইম্যান পদে মাসিক ১২হাজার টাকা বেতনে চাকরি করছি এবং অব টাইমে ওভারটাইম এ কাজ করে আরো কিছু টাকা আয় করার চেষ্টা করি। অনেক কষ্ট সেখান থেকে ৫-৬ হাজার টাকা বাচিয়ে দরিদ্র এতিম ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে প্রতি মাসে আমি এই খাতা কলম বিতরন করে আসছি।
ইতিপূর্বে আমি দিস্তা কাগজ বিতরন করেছি। এতে কিছু সমস্যা হয়েছে অনেক ছাত্র/ছাত্রী বলেছেন খাতার মলাট না থাকায় খাতা তাড়াতাড়ি ছিড়ে যায়।তাই তাদের কথা মাথায় রেখে আমার একটু কষ্ট হলেও এই মলাট যুক্ত খাতা তৈরি করেছি।
তার মহতী উদ্যোগকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন।
কাজিপুরের সকল স্কুলে তিনি তার প্রতিষ্ঠানের খাতা কলম পৌছাতে চান।তিনি এই কর্মসূচিকে চালিয়ে নেওয়ার এবং বৃদ্ধি করার জন্য সমাজ ও দেশের বৃত্তবানদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সংস্থার পরিচালক মোঃ ইসমাইল হোসেন সিরাজি মুক্ত বাংলাকে আরো বলেন সংস্থাকে আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে দরিদ্র মেধাবি ছাত্র/ছাত্রীদের সংখ্যা যাতে আরো বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে যথাযথ চেষ্টা করছি। আমি সকলের কাছে দোয়া চাই।আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন সুস্থ থাকি।
প্রতিবেদনঃ মুক্ত বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি।

Saturday, 1 April 2017

কাজিপুরের নাটুয়ার পাড়ায় স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত।


 
তাদের_নেই_কোন_খেলার_মাঠ!!

আজকের শিশু আগামীদিনের রাষ্ট্র নায়ক কিংবা শিশুর কথা শুনব মোরা হাসবে শিশু গড়বে ধরা এ জাতীয় শ্লোগান কে সামনে রেখে প্রতিবছর শিশু অধিকার সপ্তাহ পালিত হলেও প্রতি পদে পদে লাঞ্ছিত বঞ্চিত হচ্ছে কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের শিশুরা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে। মেধা বিকাশের সুষ্ঠু পরিবেশ কিংবা অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছেনা অনেক শিশুর, বিশেষ করে নাটুয়ারপাড়ার স্কুল,কলেজের শিক্ষাথীদের মৌলিক অধিকার অধিকাংশ ক্ষেত্রে উপেক্ষিত। শিশুর প্রথম লেখাপড়া শুরু হয় মূলত মা-বাবার কাছে। নিজের ঘরের চার দেয়ালের বাইরে কেবল মাত্র শিক্ষকরা আনন্দ ঘন পরিবেশে তাদের চাওয়া পাওয়ার মাধ্যমে আনমনা শিশু শিক্ষার্থীদের পড়া শুনার প্রতি আগ্রহী করে গড়ে তোলেন। প্রাথমিক শিক্ষাই একটি শিশুর শিক্ষা জীবনের মূল ভিত্তি হিসাবে গড়ে ওঠে।
প্রাথমিক শিক্ষার ওপর নির্ভর করেই গড়ে ওঠে ব্যক্তি বা জাতির ভবিষ্যত। কিন্তু প্রথমিক বিদ্যালয়ে যদি শিশুর সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ না পাওয়া যায় তাহলে জাতির মেরুদন্ড কখনো সোজা হতে পারবে না, এ জন্য দরকার শিশু বান্দব শিক্ষার পরিবেশ। শিশু শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিশুদের বিনোদন ও অংশগ্রহণের বিষয়টি ও নিশ্চিত করতে হবে। শিশুদের হই হুল্লা আর লাফা লাফির মধ্যে দিয়ে তাদের প্রাথমিক শিক্ষা জীবন অতিবাহিত হয়ে থাকে। একারণে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি বিকাশের জন্য খেলা ধুলার বিষয়টি অত্যবশকীয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার যমুনা পুর্ব নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নে অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয় ও নাটুয়ারপাড়ার ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীদের খেলার জন্য কোন মাঠ নেই। কোন কোন বিদ্যালয়ে এ্যাসেম্বলি ক্লাস কিংবা লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ নেই। কোথাও শুধুমাত্র ভবন আছে মাঠ গেছে নদীর বুকে। স্বাভাবিক ভাবে মাঠের অভাবে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ বাঁধা গ্রস্থ হচ্ছে।
ঘোড়া গাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাঠের অভাবে ক্লাস রুমেই টিফিন কিংবা অন্য অবসর সময়ে নিরলস সময় কাটায়। সে কারণে ছাত্র ছাত্রীরা টিফিন পিরিয়ডে তাদের স্কুল সংলগ্ন নাটুয়ারপাড়ার ব্যস্ততম সড়কের উপর দিয়ে ছোটা ছুটি করে থাকে। রহিম নামের ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্র জানায় আমাদের খেলাধুলার জন্য কোন ফাকাঁ জায়গা নেই। আমাদের খেলার মাঠ নেই। এ প্রসঙ্গে সহকারী শিক্ষক বলেন আমাদের বিদ্যালয়ে কোন মাঠ নেই। জাতীয় সঙ্গীত ও এ্যাসেম্বলী ক্লাস করতে খুবই কষ্ট হয়।
চরাঞ্চলের প্রাণ কেন্দ্রে নাটুয়ারপাড়ায় অবস্থিত নাটুয়ারপাড়া ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীদের কোন খেলা ধূলার সুযোগ নেই।অভিযোগ রইয়েছে কলেজের শিক্ষার্থীদের খেলা মাঠ না বানিয়ে,মাঠের মধ্যে পুকুর বানিয়ে মাছ চাষ করছে নাটুয়ারপাড়া ডিগ্রী কলেজর ম্যানেজিং কমিটি লোক জন।গত বছর নাটুয়ারপাড়া ডিগ্রি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা খেলা মাঠে জন্য অান্দোলন করলে ও কোন লাভ হয়নি।
নাটুয়ারপাড়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের অবস্থা আরো করুন। খেলার মাঠের মধ্যে অবস্থিত এ বিদ্যালয়ে ও শুধুমাত্র ক্লাস রুম ছাড়া বাকি এক ইঞ্চি মাঠ পযন্ত নেই। ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে এক বার প্রবেশ করলে আর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
নাটুয়ারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার মাঠ না থাকায় দৈনিক এ্যাসেম্বলি ক্লাস ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন হচ্ছে না। মাঠ না থাকা বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা অবসর সময়ে অনেকটা বাধ্য হয়ে ক্লাস রুমের মধ্যেই বন্দি হয়ে থাকতে হয়। সে কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাভাবিক মেধা বিকাশে বাঁধা গ্রস্ত হয়ে পড়ছে। অনেক ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয়ে আনন্দ ঘন পরিবেশ ও খেলা ধুলার সুযোগ না থাকায় অকালে শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়েছে। অপর দিকে, খেলার মাঠ না থাকায় নাটুয়ারপাড়ার কোন স্কুল কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কিংবা অন্য কোন প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্বভ হয়ে উঠছেনা। যে কারণে ছাত্র ছাত্রীদের পড়া শুনার প্রতি আগ্রহী করে তোলা সস্বভ হচ্ছে না।
জাতিসংঘের সনদ আনুযায়ী শ্বিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ও অংশগ্রহণের কথা বলা হলেও নাটুয়ারপাড়ার অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়,হাই স্কুল ও নাটুয়ারপাড়ার ডিগ্রি কলেজে এ বিষয়টি উপেক্ষিত হচ্ছে।
এলাকার লোকজন জানান, এসব বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্ব না নেয়া শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের গুরুত্ব না দেয়া, প্রসাশনের বাড়তি ঝামেলা মনে করে এড়িয়ে যাওয়া, শিক্ষকদের সোচ্চার না হওয়া, অবিবাভকদের অসচেতনতা, প্রভৃতি কারণে প্রাথমিক ও উচ্চ স্তরের ছাত্র-ছাত্রীরা খেলা ধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সর্বপরি,শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করতে হলে অবশ্যই স্কুল,কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা বিকাশ, অংশ গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে-দিতে হবে একটি আনন্দঘন পরিবেশ। আনন্দঘন ও সুষ্ঠু পরিবেশের অভাবে বর্তমানে কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়ার আশংকাজনক হারে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা অকালে ঝরে পড়েছে, এসব বিষয়ে এখনি সবার এগিয়ে আসতে হবে নতুবা অদূর ভবিষ্যতে নাটুয়ারপাড়ার প্রাথমিক বা উচ্চ স্তরের শিক্ষার কাংখিত অর্জন অনেকাংশে ব্যাহত হবে বলে অবিভাবকরা মনে করেন।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, উরোক্ত বিষয় গুরুত্ব সাথে বিবেচনা করে কাজিপুরের মা,মাটিও মানুষের নেতা জনাব,প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়( সাবেক এমপি) ,নাটুয়ারপাড়ার স্থানীয় আ'লীগের নেতাদের ও জনপ্রতিনিধিদের খেলার মাঠ তৈরি করার জন্য বার বার নির্দেশ প্রধান করলেও,নাটুয়ারপাড়ার আ'লীগের নেতারা এই বিষয়ে নিচ্ছে না কার্যকরী পদেক্ষেপ।
((সংগৃহীত খবর))
সূত্রঃ আমাদের নাটুয়ার পাড়ার সমাচার।

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে কাজিপুরের ইজিবাইক চালক

                                       সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার অনিক বাবু (২০) নামের এক ইজিবাইক চালককে অজ্ঞান করে মোবাইল ফোন ও বাইক...